সোমবার, ১৩ Jul ২০২৬, ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনায় রমজানের তারাবীর নামাজে মসজিদে ইমামসহ সবোচ্চ ১২ জন মুসল্লি নামাজ পড়ার কথা থাকলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ ও কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে এমনটা মানা হয়নি। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাতে প্রথম তারাবী নামাজে কমলগঞ্জ উপজেলা সদর, শমশেরনগর, পতনউষারসহ বাজারের কিছু কিছু মসজিদ ও এর গ্রামের মসিজদগুলোতে এবং কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের মসজিদগুলোতে মুসল্লিদের অংশগ্রহণের আধিক্যের খবর পাওয়া গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কমলগঞ্জ থানা জামে মসজিদ, ভানুগাছ বাজার মসজিদ, উপজেলা প্রশাসন মসজিদ, শমশেরনগর বাজারের বড় বড় মসজিদে তারাবীর নামাজে সরকারি নির্দেশনা কিছুটা মানা হয়। তবে রহিমপুর, পতনউষার, মুন্সীবাজার, শমশেরনগর, কমলগঞ্জ,আলীনগর, আদমপুর, মাধবপুর ও ইসলামপুর ইউনিয়নের সবগুলো গ্রামের মসজিদে মুসল্লিদের ব্যাপক উপস্থিতিতেও নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। মসজিদ ইমামরা বিষয়টি নিয়ে মুসল্লিদের অবহিত করেও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
এ ব্যাপারে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল বলেন, নিয়ম না মারা বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মনোহরগঞ্জের একাধিক মসজিদের ইমাম জানিয়েছেন, নামাজরত অবস্থায় কেউ কাতারে এসে দাঁড়িয়ে গেলে তাদের মসজিদ থেকে বের করে দেয়া যায় না। এতে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে মুসল্লিরাও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন না করায় প্রত্যেক মসজিদে একসাথে এত লোক সমাগম হচ্ছে।
মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল রানা ইত্তেফাককে জানান, বিষয়টি সকল মসজিদের ইমামকে সরকারি নীতিমালা মেনে চলতে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুকে) জনসচেতনতা বার্তা পাঠানো হয়েছে।
নগরকন্ঠ.কম/এআর